Custom Search

Saturday, December 13, 2008

আন-র্জাতিক সহিষ্ণ দিবস এবং ইহার তাৎপর্য

আন-র্জাতিক সহিষ্ণ দিবস এবং ইহার তাৎপর্য


The UNESCO 16ই নভেম্বর আন্ত র্জাতিক সহিষ্ণ বর্ষ হিসাবে ঘোষনা করেন। IFOP দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়কে স্বগত ও অভিনন্দন । যেহেতু বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য দেশ । অদ্য ১৬ই নভেম্বর ২০০৮ আন-র্জাতিক সহিষ্ণু দিবসের তাৎপর্য হচ্ছে সহিষ্ণু চিনতা চেতনার মাধ্যমে যুদ্ধ প্রতিহত ও শান্তি স্হাপন। জাতি সংঘ সনদে উল্লেখিত সকল আঞ্চলিক, আন-র্জাতিক সমস্যা, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষার বিকাশ সর্বোপরী জাতি, ধর্ম, নির্বিশেষে ব্যক্তি স্বাধীনতা প্রদানের অঙ্গিকারকে শ্রদ্ধাভাবে অভিনন্দন জানাই। সহিষ্ণুতা মহামুল্য দিকনিদের্শনার পথ প্রদর্শক। অন্যের দুঃখ কষ্টে পাশে দাড়ানো, আন-রিকতা ও ভালবাসার সহিত একযোগে বসবাসের সক্ষমতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ ও পরস্পরের অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি সুন্দর সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হবে, সেখানে বিরাজ করবে শুধু শানি- ও স্হিতি। IFOP গতিশীল পৃথিবীর ক্রমবিকাশের ধারায় আন-র্জাতিক সহিষ্ণু দিবস সুন্দরতম চিরন-নী বানী বিশ্ব মানবজাতি ও মানবতাকে উপহার দিচ্ছে কুলষমূক্ত চিন-া চেতনা, গঠনমূলক বির্তক, অসহিষ্ণু ধ্যান-ধারনা, পরিত্যাগ। সহিষ্ণু চিন-া চেতনা মানব অসি-তের একমাত্র চালিকা শক্তি -যাহা বিশ্ব শানি- প্রচেষ্টায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে। সহিষ্ণুতা অবলম্বনে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী স'াপন সহ, সামপ্রদায়িকতা, ধর্ম ব্যবসায়ীর মত নিকৃষ্ট কর্যকলাপ প্রতিরোধের একমাত্র হাতিয়ার হচ্ছে আন-জাতীক সহিষ্ণু দিবস। সহিষ্ণু হচ্ছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের শক্তিশালী স-ম্ভ। অসহিষ্ণুতা জন্ম দেয় মিশ্র গোত্রীয়, ধর্মীয়, ও সাংস্কৃতিক সংঘাত যাহা মানবাধিকার পরিপন'ী আচরণ হয়ে দাড়ায় পরিনামে অস্ত্রের ঝলকানি হিংস্রতার চরম বহিপ্রকাশ ঘটে ফলশ্রুতি হিসাবে বিশ্ব শানি- উপেক্ষিত হতে পারে। আন-র্জাতিক সহিষ্ণু দিবসে আমরা নূতন ও পুরাতন চিন-া চেতনা আলোচনা সাপেক্ষে অধিকতর সুন্দর ও গঠন মূলক প্রগতিশীল ধ্যান ধারনাকে প্রাধান্য দিয়ে বাস-ব ও গ্রহণ যোগ্য পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর শানি-পূর্ণ আবাসস'ল প্রতিষ্ঠাকল্পে জাতি সংঘ সনদে অনুমোদিত ১৬ই নভেম্বর আন-জাতিক সহিষ্ণু দিবসের প্রতিপাদ্য সার্থক হউক এই কামনা করি। সহিষ্ণু যদিও শব্দটি অতি ক্ষুদ্র ও নগন্য তথাপি এর অন-রনিহিত অর্থ অতিব্যাপক। এই মর্যাদাপূর্ণ শব্দটি কে অন-রের অন-স'ল থেকে সাধুবাদ জানাই। বিশ্ব পরিক্রমায় আমরা দেখতে পাই আন-জাতিক অঙ্গনে আজ নৈরাজ্য ও অসানি-তে ভরপুর। নৈরাজ্যের এই অশনি সংকেত সুদুর আমেরিকা থেকে বিশ্বের প্রতিটি,দেশে বিরাজ করছে। এর কারণ হিসাবে অসহিষ্ণু ধ্যান ধারনা চিন- চেতনা অশানি- ও নৈরাজ্যের মূল পটভূমি ও উৎস। অসহিষ্ণুতা থেকে উৎপত্তি চেতনার বাস-বায়ন মূর্হুতে বিশ্ব জগৎকে ধংস করতে পারে। তাই সহিষ্ণু চিন-াচেতনা মহামারী রোগের প্রতিসেদক হিসাবে কাজ করে। সৃষ্টির শ্রেষ্ট জীব মানব জাতি। সর্বশক্তিমান এই শ্রেষ্ঠ জীবকে দিয়েছেন সুন্দর ধারনার চালিকা শক্ত্‌ি। ”জীবন সকলের প্রিয়। সকলেই দন্ডকে ভয় করে। সুতারাং নিজের সহিত তুলনা করিয়া কাহাকেও প্রহার করিবে না কিংবা আঘাত করিবে না এবং কাহাকেও কটুকথা বলিওনা, যাহাদিগকে কটু কথা বলিেবে তাহারাও তোমাকে কটু কথা বলিতে পারে। ক্রোধযুক্ত বাক্য দুঃখকর, তজ্জন্য দন্ডের প্রতিদন্ড তোমাকেই স্পর্শ করিবে (ধর্মপদ)”। তাই বিশুদ্ধ চিন-া চেতনার মাধ্যমে অসহিষ্ণু চিন-া চেতনা পরিহার করে সহিষ্ণুর অফুরন- শক্তিতে সদ্যভূমিষ্ঠ নবজাতক যেন সু্‌দর আগামী ও কুলষমুক্ত বিশ্বজগত প্রানভরে দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়। কবির ভাষায় -

মরিতে চাহিনা আমি এই সুন্দর ভবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।”

আজকের আন-র্জাতিক সহিষ্ণুতা দিবসে কাধে কাধ মিলে শানি-র অন্বেষা করি। আর নয় অহিংসা-আর নয় নৈরাজ্য। এই সঞ্চজীবনী পদখেপ বিশ্বজুরে বিকশিত হউক এই প্রত্যাশা রাখি। ধন্যবাদানে-


এস, সত্যেন মঙাং
ভাইস প্রেসিডেন্ট (IFOP)

No comments:

Post a Comment