Custom Search

Saturday, December 13, 2008

ইন্টারনেশনেল ফেলোশীপ অফ পিস (ifop)

ইন্টারনেশনেল ফেলোশীপ অফ পিস (ifop)

শরৎতের এই পড়ন- বিকেলের মনিপুরি জাতির ঐতিহাসিক এইদিনে অদ্যকার মহতি অনুষ্ঠানের মান্যবর চেয়ারপারসন উপসি'ত শ্রদ্ধেয় গুরুজন সম্মানিত ভাই ও বোনেরা শ্রেণীভেদে আমার সালাম, আদাব, নমস্কার। অর্থবিত্ত যদি কোন ব্যক্তির শ্রেষ্টত্বেরও প্রমান না হয় তাহলে কেবল অর্থবিত্ত কোন জাতির শ্রেষ্টত্বের মাপকাঠি হতে পারেনা। শ্রেষ্টত্বেও মাপকাঠি বহুমাত্রিক। উন্নত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তার অন্যতম। উন্নত সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার একটি জাতিগোষ্ঠিতর উন্নত মননশীলতার স্বাকখর বহন করে। প্রান-বাসী মনিপুরি জনগোষ্ঠী যুগ যুগ ধরে যে উন্নত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, স্বজন, লালন, ধারন ও বহন করে চলেছে। মনিপুরি বৃত্য কলা উপমহাদেশের ঐতিহ্যের এক অমূল্য সংযোজন। যে জাতি জগ॥কে এমন মহামূল্য মনিহার উপহার দিতে পারে সেই জাতিকে খাটো করে দেখে একেবারে সমীচিন নয়। সমাজ সাংস্কৃতিকর এক শিক্ষানবীশ শিক্ষার্থী হিসাবে আমি কেবল নিত্য নতুন ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহ ও বাস-বতার নিরীক্ষে সত্য উদঘাটনের স্পৃহা অনেক আগে থেকেই। তাই শিকড়ের সন্ধ্যানে অনুসন্ধিৎসার জালে জড়িয়ে পরেছে। ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহে এক সন্ধিখনে মনিপরিদের নিজস্ব রাষ্ট্র মনিপুর ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সন্নিয়ে পড়ে। ব্রর্ম্মা মনিপুর যুদ্ধ এর প্রেক্ষাপদ হিসাবে উল্লেখ্য করা যায়। প্রায় তিনশন বৎসর যাবৎ বাংলাদেশে মনিপুরীদের বসবাস। ভ্রাতৃ প্রতিম জনগণের সাথে সুখে দুখে অংশিদারিত্বহয়ে আজ বাংলাদেশের মনিপুরীরা পরিপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। পরমপরিক্রমায় মনিপুর রাজ্য রাজতন্ত্র অবিধায় অভিসিক্ত ছিল। পর পর ৮৬ জন রাজা রাজ সিংহাসনে বসে রাজ্য শাসনের উজ্জ্বল ইতিহাস মনিপুরীদের রয়েছে। ১৮৯১ খৃঃ এ্যাংলেঅ মনিপুর যুদ্ধে মনিপুরীরা পরাজিত হয়ে বৃটিশ কলোনীর ছত্র ছায়ায় দাসত্বের জীবন অতিবাহিত করার পর ১৯২৬ খৃঃ আবার নিজস্ব স্বাধীনতা ফিরে পায়। ১৯৪৯ সালের ১৫ই অক্টোবর দূর্বল এক মহুর্তে জোর পূর্বক ইন্ডিয়ান কলোনীতে অন-র্ভক্ত করেন। ইতিহাসে সেই নির্মম ১৫ই অক্টোবরকে “ ifop” বিবেক জাগ্রত দিবস হিসেবে পরিচিতি দিতে চাই। যদিও মনিপুরের বিভিন্ন রাজনীতি অগ্র সংগঠন দিনটিকে কাল দিবস হিসেবে আক্ষায়ীত করেছেন। পরম পুজনীয় অহিংসার স্রষ্টা জাতীর জনক, ভারত বাসীর মূমকেতু উজ্জ্বল নক্ষত্রের দেশে ৫০ বৎসর ধরে আর্ম স্পেশাল পাওয়ার এ্যক্ট প্রবর্তন করে মনিপুরের নিরীহ প্রজাদেরকে গণহত্যা চালিয়ে গান্ধিজির অহিংসার আদর্শকে পদদলিত করেছে যা আদৌ কাম্য নং। ১৫ই অক্টোবরের মনিপুরের নিরীহ জনগণ সমৃদ্ধশালী, আইনের শাসন, সভ্যতা উন্নত সাংস্কৃতির এবং আরও অনেক কিছি আশা করেছিল। পরিনামে প্রায় ২৫ হাজার নিরীহ জনগণ গণহত্যার স্বীকা- এবং প্রতিনিয়ত আইন বহিভূত হত্যাকান্ড, ধর্ষণ, রাহাজানি, ক্রসফায়ারের নামক ভয়ংকর মানবতা ও মানবাধিকার বিরোধী কার্যকলাপ মনিপুরবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে যাহা আন-র্জতিক অঙ্গনে গ্রহণ যোগ্যতা নেই। মনিপুরবাসী নুতুন করে স্বাধীনতা সংগ্রামে জরিয়ে পেিন তারা শুধু হারানো সার্বভৌমত্ব ফিরে পেতে চাই। আজ সেই ঐতিহাসিক ১৫ই অক্টোবর (১৯৪৯) মনিপুরীরা কালো দিবস হিসাবে আখ্যায়িত করেছে আমরা ifop “বিবেক জাগ্রত দিবস” হিসাবে পরিচিতি দিতে চাই। আজকের এই শুভ দিনে ifop রাষ্ট্র, সরকার, স্বাধীনতাকামী উভয় পক্ষকে মানবতা ও মানবাধিকার পরিপন্থী সকল কার্য বন্ধসহ নিরীহ জনগণের জীবন রক্ষার আহবান জানাচ্ছি। ifop শানি-তে বিশ্বাসী। শান্তির প্রহরী হিসাবে আন-র্জাতিক আইন স্বীকৃত সকল আন্দোলনকারীকে শ্রদ্ধা করি, স্বাগত জানাই। অহিংসা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধাবোধ করব না। বিশ্ব শানি- কামনায় ifop ।

ধন্যবাদ

শোরেনশংবম সত্যের
ভাইস প্রেসিডেন্ট, ifop

No comments:

Post a Comment