শরৎতের এই পড়ন- বিকেলের মনিপুরি জাতির ঐতিহাসিক এইদিনে অদ্যকার মহতি অনুষ্টানের মান্যবর চেয়ারপারসন উপসি'ত শ্রদ্ধেয় গুরুজন সম্মানিত ভাই ও বোনেরা শ্রেণীভেদে আমার সালাম , আদাব, নমস্কার ।অর্থবিত্ত যদি কোন ব্যক্তির শ্রেষ্টত্বেও প্রমান না হয় তাহলে কেবল অর্থবিত্ত কোন জাতির শ্রেষ্টত্বের মাপকাঠি হতে পারেনা । শ্রেষ্টত্বেও মাপকাঠি বহুমাত্রিক। উন্নত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তার অন্যতম । উন্নত সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার একটি জাতিগোষ্ঠীর উন্নত মননশীলতার স্বাকখর বহন করে। প্রান-বাসী মনিপুরি জনগোষ্ঠী যুগ যুগ ধরে যে উন্নত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সৃজন, লালন , ধারন ও বহন করে চলেছে । মনিপুরি নৃত্য কলা উপমহাদেশের ঐতিহ্যের এক অমূল্য সংযোজন। যে জাতি জগৎকে এমন মহামূল্য মনিহার উপহার দিতে পারে সেই জাতিকে খাটো করে দেখা একেবারে সমীচিন নয়। সমাজ সাংস্কৃতিকর এক শিক্্রানবীশ শিক্খার্থী হিসাবে আমি কেবল নিত্য নতুন ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহ ও বাস-বতার নিরীক্েখ সত্য উদঘাটনের স্পৃহা অনেক আগে থেকেই । তাই শিকড়ের সন্ধ্যানে অনুসন্ধিৎসার জালে জড়িয়ে পরেছে। ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহে এক সন্ধিখনে মনিপরিদের নিজস্ব রাষ্ট্র মনিপুর ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সরিয়ে পড়ে। ব্রর্ম্মা মনিপুর যুদ্ধ এর প্রেক্খাপদ হিসাবে উল্লেখ্য করা যায়। প্রায় তিনশত বৎসর যাবৎ বাংলাদেশে মনিপুরীদের বসবাস। ভ্রাতৃ প্রতিম জনগনের সাথে সুখে দুখে অংশিদারিত্ব হয়ে আজ বাংলাদেশের মনিপুরীরা পরিপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশের নাগরিক। পরমপরিক্রমায় মনিপুর বাজ্য রাজতন্ত্র্র অবিধায় অভিসিক্ত ছিল । পর পর ৮৬ জন রাজা রাজ সিংহাসনে বসে রাজ্য শাসনের উজ্জ্বল ইতিহাস মনিপুরীদের রয়েছে। ১৮৯১ খৃ: এ্যাংলো মনিপুর যুদ্ধে মনিপুরীরা পরাজিত হয়ে বৃটিশ কলোনীর ছত্র ছায়ায় দাসত্বের জীবন অতিবাহিত করার পর ১৯২৬ খ্র: আবার নিজস্ব স্বাধীনতা ফিরে পায়। ১৯৪৯ সালের ১৫ই অক্টোবর দূর্বল এক মুর্হুতে জোর পূর্বক ইন্ডিয়ান কলোনীতে অনর্-ভূক্ত করেন। ইতিহাসে সেই নির্মম ১৫ই অক্টোবরকে ুরভড়ঢ়চ বিবেক জাগ্রত দিবস হিসেবে পরিচিতি দিতে চাই। যদিও মনিপুরের বিভিন্ন রাজনীতি অঙ্গ সংগঠন দিনটিকে কাল দিবস হিসেবে আক্খায়ীত করেছেন। পরম পুজনীয় অহিংসার স্রষ্টা জাতীর জনক, ভারত বাসীর ধূমকেতু উজ্জ্বল নক্থত্রের দেশে ৫০ বৎসর ধরে আর্ম স্পেশাল পাওয়ার এ্যাক্ট প্রর্বতন করে মনিপুরের নিরীহ প্রজাদেরকে গণহত্যা চালিয়ে গান্ধিজির অহিংসার আদর্শকে পদদলিত করেছে যা আদৌ কাম্য নয়। ১৫ই অক্টোবরের মনিপুরের নিরীহ জণগন সমৃদ্ধশালী, আইনের শাসন , সভ্যতা উন্নত সাংষকৃতির এবং আরও অনেক কিছু আশা করেছিল । পরিনামে প্রায় ২৫ হাজার ণিরীহ জনগন গনহত্যার স্বীকার - এবং প্রতিনিয়ত আইন বতিভূত হত্যাকান্ড, ধর্ষন, রাহাজানি, ক্রসফায়ারের নামক ভয়ংকর মানবতা ও মানবাধিকার বিরোধী কার্য়কলাপ মনিপুরবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে যাহা আনর্-জাতিক অঙ্গনে গ্রহণ যোগ্যতা নেই। মনিপুর বাসী নতুন করে স্বাধীনতা সংগ্রামে জরিয়ে পড়েনি তারা শুধু হারানো সার্বভেীমত্ব ফিরে পেতে চাই। আজ সেই ঐতিহাসিক ১৫ই অক্টোবর ( ১৯৪৯ ) মনিপুরীরা কালো দিবস হিসাবে আথ্যায়িত করেছে আমরা ifopুবিবেক জাগ্রত দিবস” হিসাবে পরিচিতি দিতে চাই। আজকের এই শুভ দিনে ifop রাষ্ট্র , সরকার, স্বাধীনতাকামী উভয় পকখকে মানবতা ও মানবাধিকার পরিপন'ী সকল কার্য বন্ধসহ নিরীহ জনগণের জীবন রকখার আহব্বান জানাচ্ছি । ifop শানি-তে বিশ্বাসী । শানি-র প্রহরী হিসাবে আনর্-জাতিক আইনে স্বীকৃত সকল আন্দোলনকারীকে শ্রদ্ধা করি , স্বাগত জানাই । অহিংসা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধাবোধ করব না । বিশ্ব শানি- কামনায় ifop।
ধন্যবাদ
শোরেনশংবম সত্যেন
ভাইস প্রেসিডেন্ট, ifop
ধন্যবাদ
শোরেনশংবম সত্যেন
ভাইস প্রেসিডেন্ট, ifop
No comments:
Post a Comment